ভর্তি চলছে, ভর্তি চলছে, ভর্তি চলছে। গিরাইহাট টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজে একাদশ শ্রেণীতে ২০২৩-২০২৪ ইং শিক্ষাবর্ষে সীমিত আসনে ছাত্র/ছাত্রী ভর্তি চলছে। বিস্তারিত তথ্যের জন্য অফসি চলাকালীন সময়ে যোগাযোগ করুন । অধ্যক্ষ, মো: শাহ্ কামাল হোসনে, মোবাইল নম্বর-০১৭১৮৪৪৩৭৮০ /০১৩০৯১৩৪৭০৮।সাইট ভজিটি করার জন্য ধন্যবাদ।

কারিগরি শিক্ষা ও বাংলাদেশ(গিরাইহাট বিএম কলেজ) - গিরাইহাট টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজ Giraihat Technical And Business Management College

Header Ads

Giraihat Technical And Business Management College (গিরাইহাট টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ)

কারিগরি শিক্ষা ও বাংলাদেশ(গিরাইহাট বিএম কলেজ)




Giraihat Technical And BM College
  কারিগরি শিক্ষা ও বাংলাদেশ

সত্যিকার অর্থে বাংলাদেশকে উন্নত দেশে পরিণত করতে হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের উদ্ভাবনী শক্তির বিকাশে জ্ঞান-বিজ্ঞান প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার প্রয়োজন শুধূমাত্র মানবসম্পদ, প্রাকৃতিক সম্পদ অন্যান্য সম্পদের দক্ষতা বাড়িয়ে দারিদ্র্য বিমোচন, ব্যাপক কর্মসংস্থানের সৃষ্টি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করতে সক্ষম লক্ষ্যে পৌঁছতে হলে কারিগরি শিক্ষার হার বৃদ্ধি ছাড়া আর কোনো পথ নেই বাংলাদেশে ২০২১, ২০৩০ ২০৪০ সালের মধ্যে হার যথাক্রমে ২০, ৩০ ৪০ শতাংশে উন্নীত করবার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে
কিন্তু কারিগরি শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে পত্রপত্রিকায় নতুন যে খবর প্রকাশিত হয়েছে তাতে হতাশার ব্যাপকতা ছাড়া আর কিছু নেই। এতে বলা হয়েছে, কারিগরি শিক্ষায় বিরাজ করছে শুভংকরের ফাঁকি। কারিগরি শিক্ষার্থীর বর্তমান হার ১৪ শতাংশ বলা হলেও আন্তর্জাতিক কারিগরি শিক্ষার সংজ্ঞা অনুযায়ী বাস্তবে এটা .৪৪ শতাংশ। কারণ শিক্ষাব্যবস্থায় রয়েছে নানাবিধ সংকট। শ্রেণিকক্ষ, ল্যাবরেটরি শিক্ষকসংকট মারাত্মক। এক শিক্ষককে দিয়ে চালানো হচ্ছে দুই শিফট। নিয়ে শিক্ষকের মধ্যে ক্ষোভ বিদ্যমান। ফলে মানসম্পন্ন কারিগরি শিক্ষা যেনো সুদূরপরাহত। এই শিক্ষাব্যবস্থা হতে মেয়েরা কেনো বিমুখ হচ্ছে তা অনুসন্ধান করা উচিত। শ্রমবাজারের সঙ্গে অনেক কোর্স-কারিকুলামের কোনো সংগতি নেই। অর্থাৎ সিলেবাস এখনো যুগোপযোগী নয়। কারিগরি শিক্ষা লাভ করে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষার্থীরা তেমন একটা সুযোগ পাচ্ছে না, ফলে বাড়তেছে না তাদের সামাজিক মর্যাদা। কারণে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের কারিগরি শিক্ষায় ভর্তি করতে উৎসাহিত হচ্ছেন না
শিক্ষা মন্ত্রণালয়, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ২০১৮ সালের তথ্য অনুযায়ী, কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষার্থীর হার ১৪ শতাংশ। ২০২০ সালের মধ্যে ২০ শতাংশ এবং ২০৩০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ শিক্ষার্থীর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে তারা। কিন্তু কারিগরির বর্তমান শিক্ষার্থীর হার নিয়েই শুভংকরের ফাঁকি লক্ষ করা গেছে
জাতীয় দৈনিকের প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে জানা যায়, আন্তর্জাতিক কারিগরি শিক্ষার সংজ্ঞা সরকারি তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বাস্তবে কারিগরিতে শিক্ষার্থীর হার .৪৪ শতাংশ
কারিগরি শিক্ষায় শুধু শিক্ষার্থীর তথ্যই নয়, প্রায় সব ক্ষেত্রেই চলছে ব্যাপক সংকট। ফলে প্রয়োজনের তুলনায় এগোতে পারছে না কারিগরি শিক্ষা। সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটগুলোকে মডেল হিসেবে ধরে এগোনোর চেষ্টা করলেও সেখানে শ্রেণিকক্ষ, ল্যাবরেটরি, শিক্ষক সংকট মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। এক শিফটের শিক্ষক দিয়ে চালানো হচ্ছে দুই শিফট। এমনকি সরকারি পলিটেকনিকে দ্বিতীয় শিফটের ক্লাস না চালানোর হুমকি দিয়ে রেখেছেন শিক্ষকরা। এতে বড় সংকটে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে
বেসরকারি পলিটেকনিকের অবস্থা আরো ভয়াবহ। ৩৮৭ বেসরকারি পলিটেকনিকের মধ্যে মাত্র ২০ থেকে ২৫টি ছাড়া অন্যগুলো নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। এককথায় বলতে গেলে, মালিকরা সার্টিফিকেট বিক্রির যেনো দোকান খুলে বসেছেন


কারিগরি শিক্ষার উন্নতিকল্পে সর্বাগ্রে সরকারি কিংবা বেসরকারি অবকাঠামো জনবল বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। সাধারণ স্কুল-মাদ্রাসার লাখ লাখ শিক্ষার্থী যাতে যুগোপযোগী কারিগরি শিক্ষা লাভ করতে পারে, এজন্য  প্রতিটি উপজেলায় একটি করে স্কুল বা কলেজকে কারিগরি কলেজে রূপান্তরিত করে কারিগরি শিক্ষার গুনগতমান বৃদ্ধি করা যেতে পারে। সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একটি ওয়ার্কশপ নির্মাণ করে প্রতিটি শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি বিষয়ে স্কিল ট্রেনিং গ্রহণের মাধ্যমে বর্হিবিশ্বে অন্যদের সাথে প্রতিযোগিতায়টিকে থাকার যোগ্রতম করে গড়ে তুলতে হবে।দেশে অনেক বেসরকারী এইচ এস সি (বিএম)প্রতিষ্ঠান রয়েছে,(গিরাইহাট বিএম কলেজ)যেখানে আমরা জনশক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রে দক্ষ জনশক্তি তৈরীর কারখানায় পরিণত করতে পারি। এখনো যেমন অদক্ষ ক্যাটাগরিতে রয়েছি, তেমনি দেশে দক্ষ জনবলের অভাবে বিদেশ হতে লোক আনয়ন করছি। এজন্য জার্মানি, জাপান, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের কারিগরি শিক্ষার মডেল আমাদের অনুসরণ করতে হবে। জার্মানিতে কারিগরি শিক্ষার হার ৭৩ শতাংশ। অতএব,দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরিত করার পূর্বে বেসরকারী কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে  সাজাতে হবে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় মহাপরিকল্পনা গ্রহন করতে হবে। কারিগরি শিক্ষার হার অন্তত ৬০ শতাংশে উন্নীত করার মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। তবেই আমাদের দেশ উন্নত দেশের আসনে আসীন হবে।
কারিগরি শিক্ষার পাশাপাশি এইচএসসি বিএম(গিরাইহাট কারিগরি কলেজ)শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারি মনিটরিং এর মাধ্যমে যুগোপযোগী করা জরুরী।এ সকল প্রতিষ্ঠানকে মডেল হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।দরকার হলো এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরো কোর্স খোলা যেতে পারে।যেমন বিবিএম স্নাতক কোর্স সংযুক্ত করে দক্ষ জনশক্তি তৈরী করা যেতে পারে।

No comments

Powered by Blogger.